বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
রংপুরে ভুয়া পূজামণ্ডপ দেখিয়ে সরকারি চাল উত্তোলনের অভিযোগ কুমিল্লায় যুবদল নেতা কাউছার হত্যার রহস্য উন্মোচন ১৫০ টাকার জন্য কৃষককে মাথায় আঘাত, পাঁচ দিন পর মৃত্যু গাজীপুরে ইবনে সিনা ঔষধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন। রংপুরের মাহিগঞ্জ রামকৃষ্ণ আশ্রম ও মিশনে শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে সনাতন মহিলাদের মাঝে শাড়ি বিতরণ রংপুরে ছাত্রলীগ নেত্রী অনিমা জামান প্রমা গ্রেফতার শিক্ষার্থীদের চাঁদায় শিক্ষক দিবস, পার্টি স্প্রেতে ছাত্রীর চোখ ক্ষতিগ্রস্ত সারের ডিলারশিপ না পেয়ে ছাত্রদল নেতার পোস্ট, ‘বিষের ডিলারশিপ দেন অনগ্রসর প্রকল্পের তথ্য চাওয়ায় মন্ত্রী-এমপি ও ডিসি’র অনুমতি নিতে চাইলেন উপপরিচালক!
রংপুরে ভুয়া পূজামণ্ডপ দেখিয়ে সরকারি চাল উত্তোলনের অভিযোগ

রংপুরে ভুয়া পূজামণ্ডপ দেখিয়ে সরকারি চাল উত্তোলনের অভিযোগ

ডেস্ক রিপোর্ট :: রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় পূজামণ্ডপে পূজা না হলেও সরকারি চাল বরাদ্দ ও উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে।

‎বরাদ্দ তালিকায় দেখা যায়, বেতগাড়ি ইউনিয়নের ২১টি পূজামণ্ডপের প্রতিটির নামে ৬০০ কেজি করে মোট ১২ হাজার ৬০০ কেজি চাল বরাদ্দ দেখানো হয়েছে। সেই তালিকায় রয়েছে পুটিমারী পশ্চিমপাড়া দুর্গা মন্দির এবং পশ্চিম খাপড়িখাল সার্বজনীন কালী ও দোন্দোরা সার্বজনীন দুর্গা মন্দিরের নাম। কিন্তু তালিকাভুক্ত দুটি মন্দিরে এবারে পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। তবু এই দুটি মন্দিরের নামে বরাদ্দ চাল উত্তোলন করাও হয়েছে।

পিআইও মাইদুল ইসলামের যোগসাজসে পূজা উদ্‌যাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক তপন কুমার রায় ভুয়া পূজামণ্ডপ দেখিয়ে সরকারি চাল উত্তোলন করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

‎পুটিমারী পশ্চিমপাড়া দুর্গা মন্দিরের সভাপতি স্বাধীন চন্দ্র রায় বলেন, আমি এ ব্যাপারে কিছুই জানি না। আমি কোথাও কোনো স্বাক্ষর করিনি। পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক তপন চন্দ্র এসব কাজ করেছেন বলে পরে জানতে পেরেছি।


একই অভিযোগ পশ্চিম খাপড়িখাল সার্বজনীন কালী ও দুর্গা মন্দিরের সভাপতি পরিমল চন্দ্র রায়ের। তিনি বলেন, ২০২৫ সাল থেকে এখানে কোনো পূজা উদ্‌যাপন করা হয়নি। এবারও হয়নি। কে বা কারা তারপরও চাল বরাদ্দ নিয়েছে। এই বিষয়ে আমি জানি না।

অভিযোগ বিষয়ে পিআই মাইদুল ইসলাম বলেন, এটা কোনো বিষয় না, এগুলো অটোমেটিক ঠিক হবে।

পূজা উদ্‌যাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক তপন কুমার রায় অভিযোগের বিষয়ে বলেন, এটা ভুল হয়েছে, আমরা উত্তোলনকৃত চাল ফেরত দেব।


এ বিষয়ে গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জেসমিন আক্তার বলেন, বিষয়টি জানার পর খোঁজ নিয়ে সত্যতা পাওয়া গেছে। তবে বরাদ্দ চাল ফেরতের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এ ঘটনায় কারও অনিয়ম বা দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com